বিতর্কিত মালয়েশিয়া শ্রমবাজার সিন্ডিকেটে আবারও নতুন করে প্রক্সি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে অখ্যাত ও বিতর্কিত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো রি-এন্ট্রি পাচ্ছে বলে তীব্র অভিযোগ উঠেছে। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সরাসরি এমপি-মন্ত্রীদের প্রতিষ্ঠান জড়িত থাকলেও এবার রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও আত্মীয়স্বজনদের প্রক্সি প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার পাঁয়তারা চলছে বলে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা আমিন নূরের সাথে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন, যা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গেও স্থান পেয়েছিল। অতীতে দুইবার গ্রেপ্তার হওয়া ও হাজার হাজার কোটি টাকার অনিয়মে অভিযুক্ত ব্যক্তিটির সাথে এই ধরনের বৈঠকের খবর নিয়ে শ্রমখাতে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সাধারণ সদস্যরা জানান, আগে সিন্ডিকেটে ঢোকার ফি প্রায় ৫ কোটি টাকা থাকলেও এবার তা সাড়ে ১৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এই অসাধু লেনদেনের সরাসরি প্রভাব পড়বে মালয়েশিয়াগামী নিরিহ শ্রমিকদের ওপর, যার ফলে প্রতি কর্মীর বিদেশযাত্রার খরচ ৮ থেকে ১০ লাখ টাকায় পৌঁছাতে পারে।
দেশে দুই হাজারেরও বেশি বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থাকা সত্ত্বেও বাছাইকৃত সীমিত কিছু এজেন্সিকে প্রাধান্য দেওয়ায় পুরোনো দুর্নীতির পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। অতীতেও একই ধরণের সিন্ডিকেট ব্যবস্থার কারণে প্রায় ১৭ হাজার কর্মী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও মালয়েশিয়ায় যেতে না পেরে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন।







