ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ। সোমবার বিকেলে ডাকসু ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন।
এস এম ফরহাদ বলেন, বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে জিন্নাহর অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেই সংগ্রহশালায় রাখা ছবিতে তাকে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘সরাসরি বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে সংগ্রহশালার ছবিতে জিন্নাহকে সেভাবেই উপস্থাপন করা হয়েছে।’
ছাত্রদলের দেওয়া বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে ডাকসুর জিএস বলেন, তার কাছে মনে হয়েছে, সংগঠনটি এ বিষয়ে পরোক্ষভাবে জিন্নাহর পক্ষ নিয়েছে। তিনি দাবি করেন, ছাত্রদল জিন্নাহকে দায়মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি সংগ্রহশালা থেকে ছবিটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছে। এমনকি ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামও দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে সোমবার দুপুরে সংগ্রহশালায় রাখা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবিটি ভেঙে ফেলেন আবু তৈয়ব হাবিলদার নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক শিক্ষার্থী। তিনি ডাকসু নির্বাচনে আলোচিত ও বয়োজ্যেষ্ঠ সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনে তিনি ভিপি পদে ১০ ভোট পেয়েছিলেন। আবু তৈয়ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১-০২ শিক্ষাবর্ষের উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
জিন্নাহর ছবি ভাঙার ঘটনাকে নিয়েও মন্তব্য করেন এস এম ফরহাদ। তিনি বলেন, ‘যিনি জিন্নাহর ছবি ভেঙেছেন, শুনলাম তিনি উর্দু বিভাগের। আমি অবাক হয়েছি। সম্ভবত তিনি উর্দু বিভাগেরই, সে কারণে জিন্নাহর প্রতি তার আলাদা একটা দরদ আছে।’
তিনি আরও বলেন, সংগ্রহশালায় রাখা ছবির ক্যাপশনে জিন্নাহর উর্দুর পক্ষে অবস্থানের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। তার ধারণা, ছবি ভাঙার পেছনে ওই তথ্যটি মানুষের সামনে আসতে না দেওয়ার মানসিকতা কাজ করতে পারে।
ফরহাদের ভাষ্য, ‘যিনি ছবিটি ভেঙেছেন, তিনি হয়তো চান না উর্দুর ব্যাপারে জিন্নাহর সেই অবস্থান মানুষ জানুক। সে কারণেই তিনি এটা ভেঙেছেন। অর্থাৎ







