বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের ৭০০টি অটোরিকশা রয়েছে—এমন ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্য দেওয়ায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। বক্তব্যে একটি রাজনৈতিক দলের সেক্রেটারি জেনারেলের ৭০০টি অটোরিকশার মালিকানা থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা থেকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ারকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আমরা এ ধরনের কাল্পনিক, অসত্য, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট তথ্য পরিবেশনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ডিএনসিসি প্রশাসকের কাছ থেকে জনগণ তথ্যনির্ভর, দায়িত্বশীল ও শালীন বক্তব্য প্রত্যাশা করে। কোনো রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতার ব্যক্তিগত মালিকানায় ৭০০টি অটোরিকশা থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ তোলার আগে এর সুনির্দিষ্ট ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা জরুরি। অথচ গ্রহণযোগ্য প্রমাণ প্রকাশ না করে এ ধরনের মন্তব্য করা দায়িত্বশীল আচরণের পরিচায়ক নয়।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, অটোরিকশা চলাচল, যানজট নিরসন, সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং চালকদের জীবিকা-সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো বাস্তবতা ও জনস্বার্থের আলোকে বিবেচনা করা উচিত। এসব বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক দলের বক্তব্য বা অবস্থানের বিরোধিতা করতে হলে যুক্তি, তথ্য ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের মাধ্যমে তা করা প্রয়োজন। কোনো নেতার বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অভিযোগ তুলে সমস্যার সমাধান করা যায় না।
বিবৃতিতে তিনি ডিএনসিসি প্রশাসককে তাঁর বক্তব্যের পক্ষে সুনির্দিষ্ট ও যাচাইযোগ্য প্রমাণ জনসমক্ষে উপস্থাপনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হলে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানান।







