বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাঁর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে কঠোর দাবিতে মুখর হয়েছেন দলটির যুক্তরাষ্ট্র শাখার নেতারা। স্থানীয় সময় রোববার নিউইয়র্ক স্টেট শাখার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন গিয়াস আহমেদ।
নেতারা অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার পরিকল্পিতভাবে তারেক রহমানকে দেশে ফিরতে নিরুৎসাহিত করছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও সরকারি এজেন্সির পক্ষ থেকেও এ ধরনের ‘চাপ’ দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাদের। সরকার এখনো পর্যন্ত তাঁর নিরাপত্তা বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেয়নি বলেও উল্লেখ করেন তারা।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, “বিএনপি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রাম চালিয়েছে। লাখো মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম, আয়না ঘর ও ক্রসফায়ারের হুমকির মাঝেও আমরা নতি স্বীকার করিনি।”
যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতারা বলেন, সংবিধান সংশোধন সাধারণত সংসদীয় কমিটি ও বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে হয়। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোকে পাশ কাটিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের গোপন উদ্যোগ নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত করার শঙ্কা তৈরি করেছে। তাদের অভিযোগ, জামায়াতের সহযোগিতায় ‘ভোটবিহীনভাবে’ ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা চলছে।
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অতীতে ‘হত্যাচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগ তুলে নেতারা বলেন, “১/১১ সরকারের সময় তাঁকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার ও নির্যাতন করা হয়েছিল। কোনো দুর্নীতির প্রমাণ না পেয়েও তাঁকে দেশত্যাগ ও রাজনীতি না করার অঙ্গীকারে বাধ্য করা হয়। পরে আদালত এসব মামলা মিথ্যা প্রমাণ করেছে। তবু তাঁর দেশে ফেরা ঠেকাতে নতুন ষড়যন্ত্র চলছে।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অলিউল্লাহ আতিকুর রহমান, সাঈদুর রহমান সাঈদ, গোলাম ফারুক শাহিন, জসিমউদ্দিন (ভিপি জসিম) ও দেওয়ান কাউসার।
