বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে স্বাধীন রাষ্ট্র হলেও আত্মিক বন্ধন এখনো অটুট রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ‘আন্তর্জাতিক ফিদায়ে মিল্লাত কনফারেন্স’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়েদ আস‘আদ মাদানী (রহ.)-এর জীবন ও কর্ম বিষয়ক এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
মাওলানা ফজলুর রহমান বলেন, “মানুষের প্রথম ও মৌলিক অধিকার হলো স্বাধীনতা। ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতার জন্য অসংখ্য আলেম তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমার পিতা মুফতি মাহমুদ (রহ.) এবং মাওলানা আস‘আদ মাদানী (রহ.) বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হোক—এটাই আমাদের কামনা।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামিয়া হোসাইনিয়া ইসলামিয়া আরজাবাদ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা বাহাউদ্দীন যাকারিয়া ও ফিদায়ে মিল্লাত ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা মাসরুর আহমদ। যৌথভাবে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতি নাছির উদ্দিন খান, মুফতি জাবের কাসেমী ও মাওলানা সাইফুদ্দিন ইউছুফ ফাহিম।
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের সভাপতি মাওলানা সাইয়েদ মাহমুদ মাদানী বলেন, “আমার পিতা ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়েদ আস‘আদ মাদানী (রহ.) ছিলেন দ্বীনের এক নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক। ইসলাম, মুসলমান, দেশ ও উম্মাহর কল্যাণে তিনি সারাজীবন নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এমনকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে দিল্লির রাজপথে মিছিলও করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইসলামিক স্কলারদের উপস্থিতিতে আমরা আজ তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।”
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মাওলানা আস‘আদ মাদানীর ছোট ছেলে মাওলানা মওদুদ মাদানী, জমিয়তে উলামা পাকিস্তানের মাওলানা খালেদ সিদ্দিকী এমপি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, জমিয়তে উলামা পাকিস্তানের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল গফুর হায়দারীসহ দেশি-বিদেশি আলেমগণ।







