কুমিল্লায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে পুলিশের ব্যাপক অভিযানে ৪৪ জন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত নগরীর টমছম ব্রিজ, বাদুরতলা ও ঝাউতলা এলাকায় প্রথম দফায় ২৯ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও ১৫ জনকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ব্যানার, লাঠি এবং গ্যাসলাইট উদ্ধার করা হয়।

আটকের বিষয়টি কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খান নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আটক সবাই নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মী। পুলিশের দাবি, ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনার রায়কে কেন্দ্র করে কুমিল্লায় অরাজকতা সৃষ্টি ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে তারা ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারা যায়—নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সদস্যরা নাশকতার পরিকল্পনা করছে। সেই তথ্য অনুযায়ী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. তাহসিন বাহার সূচনা এই কার্যক্রমে আর্থিক সহায়তা করেছেন। তবে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খান বলেন, কুমিল্লায় যে কোনো অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা কঠোর হাতে দমন করা হবে। গতরাত ও আজ ভোরে নাশকতার প্রস্তুতিকালে মোট ৪৪ জনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।







