ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (ICT) এক মামলা চালিয়ে হাসিনাকে ক্রাইমস অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটি-অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে এবং তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এই রায়ে বলা হয়েছে, দ্রুত বিচার দাবি করছেন অনেকেই, এবং “No one above law”–এর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বারবার ভারতের অনুরোধ করা হচ্ছে হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করানোর।
কিন্তু ভারত ফিরিয়ে দিতে রাজি হচ্ছে না — রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে “রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব” হওয়ার কারণে প্রত্যর্পণ চুক্তির কিছু ধারা প্রয়োগ করা যেতে পারে।
দেশের ভেতর বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠী এই রায়কে ন্যায্যতার চিহ্ন বলছেন, এবং দাবি করছেন যে দ্রুত হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে, রায় কার্যকর করা উচিত।
এর ফলে দুই দেশের (বাংলাদেশ–ভারত) মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা বাড়তে পারে, কারণ এই রিটার্ন চাওয়াটা এখন শুধু আইনি না, রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।
