ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় স্থানীয় শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ৯১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মফিজুর রহমান ওরফে মামুনের নাম উঠে এসেছে। কয়েক বছর ধরে বিদেশে অবস্থানকারী মামুনকে এ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে সন্দেহ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
তদন্ত–সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও লেনদেন–সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই কিবরিয়াকে হত্যা করানো হয়েছে। মামুন ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানোর নির্দেশ দেয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা জনি ভূঁইয়া নামে একজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ বলেছে, জনি ভূঁইয়াসহ কয়েকজনকে কিবরিয়াকে হত্যা করতে ভাড়া করা হয়েছিল।
স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী মামুন বিদেশে বসেও পল্লবী এলাকার একটি পোশাক কারখানায় চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ করত। কিছুদিন আগে ওই কারখানায় চাঁদা নিতে গেলে মামুনের লোকজন কিবরিয়াকে বাধা দেয় এবং মামুন ফোন করে সেখানে না যেতে বলে। এছাড়াও পল্লবী থানা যুবদলের কমিটিতে নিজের অনুগত মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করতে কিবরিয়াকে চাপ দিয়েছিল মামুন। কিন্তু কিবরিয়া তা মানতে অস্বীকৃতি জানান। এসব বিষয়েই মামুন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বলে ধারণা করছে তদন্তকারী সংস্থা।
এ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে এবং পলাতক মফিজুর রহমান ওরফে মামুনসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
