বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলনের কেন্দ্রীয় সংগঠক মুনতাসির মাহমুদ দাবি করেছেন, গত এক মাসে যাদের সঙ্গে কথা বলেছেন, তাঁদের সবাই আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারে—এটা তাঁর মূল্যায়ন। মাঠের রাজনীতির অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি বলেন, সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিএনপি বা এনসিপিকে নিয়ে আগ্রহ নেই; রিকশাচালক, সবজিওয়ালা, চাকরিজীবী থেকে ব্যবসায়ী—সব শ্রেণির মানুষের মধ্যেই এবার ইসলামী দলকে ভোট দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, মাঠের বাস্তবতায় জামায়াত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে—বিশেষ করে পেশীশক্তি, কেন্দ্র দখল ও সম্ভাব্য সহিংসতা মোকাবিলা করা। তাঁর মতে, বেশিরভাগ আসনে জনগণের বিরক্তির কারণে বিএনপির ভরাডুবি হতে পারে।
মুনতাসির মাহমুদ লেখেন, বিএনপি তরুণ নেতৃত্বকে সামনে না আনলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। এনসিপির সম্ভাবনাও খুব কম বলে তিনি মন্তব্য করেন। জামায়াতের প্রার্থী তালিকা নিয়ে তিনি বলেন, অন্তত তিন নেত্রী—তাসনীম জারা, ডা. মাহমুদা মিতু ও হাসনাত—সংসদে যাওয়া উচিত।
ঢাকা-১২ আসনের রাজনীতি প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পেলে তাঁর জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর অবস্থানের কারণে কিছু প্রতিপক্ষ ইতোমধ্যে কৌশল পরিবর্তন করেছে।
পোস্টের শেষ দিকে তিনি উল্লেখ করেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জামায়াত-শিবিরের ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল; তবে রাষ্ট্রক্ষমতার দায়িত্ব পালন করতে সংগঠনটি কতটা প্রস্তুত—তা নিয়ে তাঁর সংশয় রয়েছে।







