রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে জিয়া পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি এবং গণতন্ত্র একে অপরের পরিপূরক, যা একে অপরকে ছাড়া চলতে পারে না। তিনি দাবি করেন, গণতন্ত্র বিএনপিকে ছাড়া চলতে পারে না এবং বিএনপিও গণতন্ত্র ছাড়া টিকে থাকতে পারে না।
তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে খালেদা জিয়া বছরের পর বছর কারাবরণ করেছেন এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের বাইরে থেকে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বৈরাচারকে প্রতিহত করেছেন। তার মতে, এই বাস্তবতায় গণতন্ত্র ও বিএনপিকে আলাদা করে দেখা সম্ভব নয়।
সাবেক এই বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন, যার অপেক্ষায় দেশবাসী রয়েছে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, গণতন্ত্রবিরোধী একটি গোষ্ঠী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত বা বিলম্বিত করার জন্য এখনও চক্রান্ত করছে। তার ভাষ্য, গণতন্ত্র না থাকলে একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হয়, তাই তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে দুর্বল করতে চাইছে।
তিনি বলেন, “যদি আমরা জিততে না পারি, বাংলাদেশ হেরে যাবে, গণতন্ত্র হেরে যাবে।” ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে জিয়াউর রহমান যেমন দেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করেছিলেন, তেমনি নতুন করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান তিনি।
আমীর খসরু অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী নির্বাচন নিয়ে কথা বললেও একই সঙ্গে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং অগণতান্ত্রিক পথ ধরে জোর-জবরদস্তির চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলেই সংঘাতে না গিয়ে রাজনৈতিক সমাধানের পথেই অটল রয়েছে।
তিনি আরও মনে করেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি পরিবর্তন ছাড়া কোনো কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বা উন্নতি সম্ভব নয়।







