আমতলী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ফকির ও তালতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবর ছড়িয়ে পড়লে আমতলী ও তালতলীতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেন।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে জালাল উদ্দিন ফকিরকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। বহিষ্কারের পরও তিনি দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। অপরদিকে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাককে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তালতলী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আমিনুল ইসলাম লিটন মোল্লা বলেন, মোস্তাক তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিভাবক ছিলেন; তার ফিরে আসায় তৃণমূল প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
আমতলী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহবুব উল আলম মৃধা বলেন, জালাল উদ্দিন ফকিরের প্রত্যাবর্তনে উপজেলা বিএনপি আরও গতিশীল হবে।
মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তালতলী বিএনপিকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করব।
জালাল উদ্দিন ফকির জানান, একটি কুচক্রী মহল কেন্দ্রীয় নেতাদের ভুল বুঝিয়েছিল, যা তারা পরে বুঝতে পেরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছেন। তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে দলের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, এর অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
