জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জনগণকে আর দাবি নিয়ে দপ্তরে ছুটতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর ভাষ্যে, সরকারে গেলে মানুষের ন্যায়সঙ্গত অধিকার ও প্রয়োজনীয় সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে।
রোববার রাজধানীর মহাখালীতে নরমাল ডেলিভারি বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএমআরসি ভবনের নিচতলায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন এলাকার দুই শতাধিক মহিলা সিএইচসিপি অংশ নেন, যাদের প্রত্যেকেরই অন্তত ২০০টির বেশি স্বাভাবিক প্রসব করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে।
‘আশ্বাস নয়, অ্যাকশনের রাজনীতি’
জামায়াত আমির বলেন,
“আমরা আশ্বাসের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নই; আমরা বিশ্বাস করি কর্মধারা ভিত্তিক রাজনীতিতে। ওয়াদা নয়, কাজের মাধ্যমেই আমরা পরিবর্তন দেখাতে চাই।”
তিনি অভিযোগ করেন, দেশের মানুষ ভালো হলেও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের কারণে দেশ এগোতে পারে না। এদের ‘মূল ধরে টান দিয়ে’ দুর্নীতি নির্মূলের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
শিক্ষা ও সমাজ নিয়ে মন্তব্য
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে এখনো মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। সন্তান কি পড়বে—তা মা-বাবা নয়, বরং শিক্ষকদের সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, শিশুরা ভবিষ্যতে বোঝা নয়, দেশের সম্পদ হয়ে উঠবে—এমন লক্ষ্য নিয়েই কাজ করতে হবে।
সমাজে মায়ের ভূমিকা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, “মাকে ছাড়া কোনো সভ্যতা টিকে থাকতে পারে না।”
১০০ ক্লিনিকে সোলার প্যানেল দেবে জামায়াত
স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে আগামী এক বছরের মধ্যে ১০০টি ক্লিনিকে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল দেওয়ার ঘোষণা দেন জামায়াত আমির।
তিনি বলেন, গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে এটি হবে তাদের পক্ষ থেকে “সামাজিক কল্যাণমূলক প্রতীকী উদ্যোগ”। বেসিক লেভেল শক্তিশালী হলে ওপরের স্তরের ৯০% চাপ কমে যায় বলেও তিনি মত দেন।
সেমিনারে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামানসহ সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।







