রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায় যুবদল নেতা এস এম আরিফুল ইসলামের ওপর সশস্ত্র হামলা হয়েছে। হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় আর্তনাদ করতে দেখা যায়।
হামলার জন্য উপজেলা তাহেরপুর পৌরসভার বিএনপির সভাপতি আবু নঈম মো. শামসুর রহমানকে দায়ী করেছেন আরিফুল ইসলাম। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই হামলা চালানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শামসুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানি না। ফেসবুকে দেখে জেনেছি। সে আমার ছোট ভাই– আমি হামলা করলে তো বাঁচতে পারত না।’
আহত আরিফুল ইসলাম রাজশাহী–৪ (বাগমারা) আসনে মনোনয়নবঞ্চিত যুবদল নেতা রেজাউল করিমের অনুসারী। এই আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডিএম জিয়াউর রহমান।
ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে তাহেরপুর হরিতলা মোড়ে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হিসাব করছিলেন আরিফুল। রাত তিনটার দিকে ১৫–২০ জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তাঁর চিৎকারে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তদন্ত হচ্ছে। হামলার পেছনে কারও নির্দেশ ছিল কি না, তা জানতে কল রেকর্ডসহ অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হবে।
