নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, “যেসব দল চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মামলাবাজি ও দখলবাজির সঙ্গে জড়িত—সেসব দলকে ভোট দেবেন না।”
তিনি বলেন, এখন মানুষ অনেক বেশি সচেতন। তারা রাজনৈতিক নেতাদের অতীত কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণ করছে এবং সব বিবেচনা করেই আগামী নির্বাচনে ভোট দেবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে গণতন্ত্র মঞ্চ আয়োজিত “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নির্বাচন ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম” শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মান্না বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ছলচাতুরী করে ক্ষমতায় থাকার সুযোগ হারিয়েছে। শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের পর ভারতও নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে বাধ্য হয়েছে। ৭ থেকে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা হলে নির্বাচন হবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে কোনো আলোচনা চলছে না। “শেষ সময়ে এসে যদি বিএনপি তিনটি আসন দিয়ে বলে আর দিতে পারবো না—তাহলে আমাদের অবস্থান কী হবে? আমরা কি তখন তাদের সঙ্গে জোট করব?”—প্রশ্ন রাখেন তিনি।
মানুষের জন্য কাজ করতে হবে উল্লেখ করে মান্না বলেন, অহংকার করার সময় নয়। “গণতন্ত্র মঞ্চ যদি নির্বাচিত হয়, আমরা বেকার ভাতার ব্যবস্থা করব, এতে বছরে ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে।”
তিনি বলেন, যদি তিনশ আসনে প্রার্থী দিয়ে মানুষের কাছে যাওয়া যায়, তবে বিভিন্ন দলই গণতন্ত্র মঞ্চের পিছনে দৌড়াবে। তাই এখনই মানুষের কাছে পৌঁছানো জরুরি।







