ভারতে নিরাপদ আশ্রয়ে বসে শেখ হাসিনা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের টার্গেট কিলিংয়ে লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান। সোমবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার দক্ষতা ও তৎপরতার ঘাটতির কারণে অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় শুধু রাষ্ট্রীয় বাহিনীর ওপর নির্ভর করে আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ ঠেকানো যাবে না বলে তিনি মত দেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে সর্বস্তরে জননিরাপত্তার নিজস্ব কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামীকাল থেকে দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষার গণকমিটি’ গঠনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি জানান, এসব গণকমিটির কাজ হবে ফ্যাসিস্ট রাজনীতির নেতাকর্মী, তাদের সমর্থক ও অনুচরদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা। এ ক্ষেত্রে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়া এবং কোনো ধরনের শারীরিক নির্যাতন না করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের ওপর কঠোর নজরদারি বজায় রাখা এবং সন্দেহভাজন অপরাধীদের যেন কোনোভাবেই ছেড়ে দেওয়া না হয়, তা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
তিনি স্থানীয় আদালত ও আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অপরাধীদের জামিন বা মামলা দুর্বল করার মতো অসৎ কার্যকলাপে যেন কেউ জড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আদালতের সার্বিক কার্যক্রমের ওপরও সামাজিক নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানান তিনি।
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশের আদালতে প্রমাণিত বড় অপরাধী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি। তাকে ফিরিয়ে এনে বিচার নিশ্চিত না করা গেলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা সম্ভব হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিন







