খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগ নেতাকে ছাড়াতে বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী থানায় গেলেও শেষ পর্যন্ত তাকে মুক্ত করতে পারেননি। বুধবার দুপুরে ডুমুরিয়া থানায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তি সুকৃতি মণ্ডল উপজেলার মাগুরখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। স্থানীয় সূত্র জানায়, তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা থানায় উপস্থিত হয়ে তাকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন। এ সময় থানা এলাকায় কিছুটা উত্তেজনাও সৃষ্টি হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সুকৃতি মণ্ডলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নদী-খাল দখল, সাধারণ মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানিসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মাগুরখালী গ্রামে লুটপাট ও ভাঙচুরের একটি মামলায় মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মাগুরখালী ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানান, গ্রেপ্তারের পর তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য একাধিক বিএনপি নেতার ফোন আসে। তবে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাকে থানায় রাখা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরহাদ হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে সুকৃতি মণ্ডল বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন এবং বিএনপির হয়ে বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। এ কারণেই তাকে ছাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছিলেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, সুকৃতি মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে বুধবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তাকে ছেড়ে দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।







