শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জানাজায় সামনের কাতারে উপস্থিত ছিলেন এবি জুবায়ের। জানাজা শেষে পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সালাম ফিরানোর সঙ্গে সঙ্গেই জনতা পুলিশের প্রটোকল ভেঙে বাঁধভাঙা ঢলের মতো সামনে এগিয়ে আসে। মানুষ লাশ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ছুঁতে চায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেখানে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তিনি জানান, উপস্থিতরা জনতাকে শান্ত ও নিবৃত্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। কারণ অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে যে মানুষটি শুয়ে ছিলেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের প্রতীক। লাশ স্পর্শ করতে না পারলেও অন্তত লাশবাহী গাড়িটা একবার ছুঁয়ে দেখার আকাঙ্ক্ষা ছিল মানুষের মধ্যে।
এই পরিস্থিতিতে লাশ বের করে আনার জন্য হাসনাত, সাদিক ও জাবেরসহ কয়েকজন গাড়ির ওপর উঠে পড়েন। প্রচণ্ড কষ্ট ও চাপ সামলে জনতাকে ঠেলে লাশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে নিয়ে আসা হয়। গাড়ির ওপরে ওঠার বিষয়টি পুরোপুরি পরিস্থিতির চাহিদা থেকেই করা হয়েছে বলে জানান এবি জুবায়ের।
তিনি এ বিষয়ে কাউকে রাজনীতি না করার অনুরোধ জানান।







