ডিসেম্বরের ১৩ তারিখে শহিদ শরিফ ওসমান হাদির খু’ নিকে গ্রেফতারের জন্য সাইবারক্রাইম ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা তানভির হাসান জোহা পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। বিষয়টি তখন থেকেই আলোচনায় ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে জুলকারনাইন সায়েরের কাহিনী সামনে আসায় ঘটনাপ্রবাহ অন্যদিকে মোড় নেয়।
এরপর যমুনা টেলিভিশনও আলাদা দিক থেকে খবর প্রচার করে। গত দুদিন আগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) দাবি করে যে তারা বিনডিয়া থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে, সেই দাবি আসলে মিথ্যা।
গতকাল জুলকারনাইন সায়েরের দলের সদস্য নাজমুস সাকিব একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, আর আজকে আরেকটি ভিডিও বাজারে ঘুরছে। ভিডিওগুলো ঘিরে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, ফয়সালের সাম্প্রতিক ভিডিওগুলো থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি দুবাইতে নয়, বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।
সব মিলিয়ে পরিষ্কার হচ্ছে—জুলকারনাইন সায়ের ও তার দল শুরু থেকেই ঘটনাকে অন্যদিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে। তবে এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলছে না, সবাই নীরবতা বজায় রেখেছে।
