শুক্রবার, জুলাই ১৭, ২০২৬
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ
No Result
View All Result
No Result
View All Result
হোম বাংলাদেশ

সাগরের জন্য এখনো ডুকরে কাঁদেন বাবা-মা

জুন ১৬, ২০২৫
A A
সাগরের জন্য এখনো ডুকরে কাঁদেন বাবা-মা
Share on FacebookShare on Twitter

একমাত্র সন্তান সাগর আহমেদকে নিয়ে বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল আকাশচুম্বী। ছেলেও বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণের পথেই এগোচ্ছিলেন। কিন্তু জুলাই আন্দোলনে পুলিশের গুলি তার জীবনপ্রদীপ নিভিয়ে দিল। এরপর থেকে শোকে মুহ্যমান বাবা-মা। যখনই ছেলের কথা মনে পড়ে তখনই কান্নায় ভেঙে পড়েন তারা।

জানা যায়, সাগর ঢাকার মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়তেন। জুলাই বিপ্লবে ১৮ জুলাই শাহবাগে প্রথম গুলিবিদ্ধ হন। এরপর ১৯ জুলাই মিরপুর-১০ নম্বরে আবার তিনি আন্দোলনে যোগ দেন। সেদিন তাকে কাছ থেকে গুলি করে পুলিশ। গুলি তার চোখ ভেদ করে মাথার পেছন দিয়ে মাংসপিণ্ডসহ বেরিয়ে যায়। পুলিশ সরে গেলে সাগরের এক সহযোদ্ধা জিয়া, সাগরের পকেটে থাকা মোবাইল ফোন থেকে তার গুলি লাগার সংবাদ বাড়িতে জানায়। তাৎক্ষণিকভাবে সাগরকে আজমল প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে গেলে ফিরিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তখন কর্তব্যরত ডাক্তার সাগরকে মৃত ঘোষণা করেন।

সাগরের বাবা তোফাজ্জেল মণ্ডল জানান, ২০ জুলাই সাগরের মরদেহ গ্রামের বাড়ি নারুয়ায় আনার পর পুলিশের চাপ ছিল তাড়াতাড়ি লাশ দাফনের। বাদ আসর জানাজা পড়ানোর সময় নির্ধারণ করে মাইকিং হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী এবং দলটির নারুয়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলামের চাপে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই তাকে দাফন করতে হয়। এখন তার কথা মনে পড়লেই কান্না আসে। তার মাও কাঁদে, থামানো যায় না। তাকে নিয়ে আমাদের সব স্বপ্ন অপূর্ণই রয়ে গেল। এখন আমাদের চাওয়া দোষীদের শাস্তি।

সাগরের মা গোলাপী বেগম বলেন, ১৯ জুলাই ছিল শুক্রবার। সকাল ১০টার দিকে এক হাজার টাকা পাঠাতে বলে সে। তাকে টাকা পাঠিয়ে বলি, কোনো ঝামেলায় জড়াস না। ছেলে বলেছে, তার জন্য দোয়া করতে। এ কথাই ছেলের সঙ্গে শেষ কথা। এই কথা বলতে বলতেই মূর্ছা যান তিনি।

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

সংবিধান সংস্কার ও সংশোধনের পার্থক্য নিয়ে তাজুল ইসলামের বক্তব্য

জুলাই ১৭, ২০২৬
বাংলাদেশ

সোহেল তাজের পোষ্ট: পাচার করা অর্থের পাহাড়ে বসে তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন

জুলাই ১৭, ২০২৬
বাংলাদেশ

‘আমি মোজাফফর’ বলার পরই হাতে হ্যান্ডকাফ

জুলাই ১৭, ২০২৬

সপ্তাহের সেরা

  • হাসিনা মামলায় শেষ সাক্ষীর জবানবন্দি কাল, রায় কবে?

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ সৃষ্টিতে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকা নিয়ে সংসদে প্রিয়াঙ্কার অকপট স্বীকারোক্তি

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • উপবৃত্তি বিতরণে চরম বৈষম্য: ৩২ শিক্ষার্থীর সবাই হিন্দু, বঞ্চিত মুসলিমরা

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানি গণমাধ্যমে ১৩ বিদেশি নেতার ছবি প্রকাশ

    0 shares
    Share 0 Tweet 0
  • নবম পে স্কেল সরকারি চাকরিজীবীরা ইনক্রিমেন্ট পাবেন ৪ ক্যাটাগরিতে, কোন গ্রেডে কত

    0 shares
    Share 0 Tweet 0

সর্বশেষ খবর

সংবিধান সংস্কার ও সংশোধনের পার্থক্য নিয়ে তাজুল ইসলামের বক্তব্য

জুলাই ১৭, ২০২৬

সোহেল তাজের পোষ্ট: পাচার করা অর্থের পাহাড়ে বসে তারা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন

জুলাই ১৭, ২০২৬

‘আমি মোজাফফর’ বলার পরই হাতে হ্যান্ডকাফ

জুলাই ১৭, ২০২৬
  • হোম
  • গোপনীয়তা নীতি
  • শর্তাবলি ও নীতিমালা
  • যোগাযোগ
ইমেইল: info@azadirdak.com

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

No Result
View All Result
  • হোম
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
    • বিএনপি
    • আওয়ামী লীগ
    • জামায়াত
    • এনসিপি
    • অন্যান্য
  • আন্তর্জাতিক
  • বিশ্লেষণ
  • মতামত
  • ইসলাম
  • খেলা
  • ফিচার
  • ফটো
  • ভিডিও
  • বিবিধ
    • শিক্ষাঙ্গণ

স্বত্ব © ২০২৪-২০২৫ আজাদির ডাক | সম্পাদক: মঈনুল ইসলাম খান | ৩, রাজউক এভিনিউ, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০

Exit mobile version