বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। একই দিনে তারেক রহমান পৃথকভাবে আরও তিন দেশের কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এর আগে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা করেন।পরে সন্ধ্যা ৬টায় তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন এবং সন্ধ্যা ৭টায় মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমির সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।
বৈঠকগুলোতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ূন কবির, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহাদী আমিন এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ূন কবির সাংবাদিকদের জানান, তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করায় তার নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। সেই আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতেই বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা আজ পৃথকভাবে তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আলোচনার শুরুতে তারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকবার্তা জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে উন্নয়ন পরিকল্পনা, জনগণের কল্যাণে কাজের কৌশল, পররাষ্ট্রনীতি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়েও আলোচনা হয়।
ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে হুমায়ূন কবির বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল তারেক রহমানের সঙ্গে প্রণয় ভার্মার প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে পাঠানো শোকবার্তার চিঠির মাধ্যমেও তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুনভাবে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশার কথা জানানো হয়েছে। বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত সৌজন্যপূর্ণ, যেখানে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিতকরণ এবং স্থিতিশীলতার জন্য যৌথভাবে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমান ভারতের হাইকমিশনারকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
হুমায়ূন কবির আরও বলেন, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসছেন। আন্তর্জাতিক মহল ও বৈশ্বিক অংশীজনদের দৃষ্টিতে তিনি এখন বাংলাদেশের একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা। সে কারণেই ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে স্বাভাবিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময় করা হচ্ছে।
