সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে জি-টু-জি ভিত্তিতে চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সামরিক ড্রোন উৎপাদন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে প্রায় ৬০৮ কোটি ৮ লাখ টাকার একটি চুক্তি স্বাক্ষরের পরিকল্পনা করছে সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় চীন থেকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি আমদানি করা হবে এবং দেশে একটি ড্রোন কারখানা স্থাপন করা হবে।
চুক্তি স্বাক্ষরের আগে গত ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প প্রস্তাবের অনুমোদন দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। নিয়ম অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর প্রধান উপদেষ্টার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রকল্প ব্যয়ের বিবরণ অনুযায়ী, মোট ৬০৮ কোটি ৮ লাখ টাকার মধ্যে ৫৭০ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হবে প্রযুক্তি আমদানি ও ড্রোন কারখানা স্থাপনে। বাকি ৩৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকা ব্যয় হবে এলসি খোলার চার্জ, ভ্যাট এবং সুইফট চার্জসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খাতে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রস্তাব অনুযায়ী, চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ইন্টারন্যাশনাল সরবরাহকৃত প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বিশেষ করে নজরদারি ও আকাশ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো মনে করছে।
এছাড়া আমাদের টিবি-২ ড্রোনগুলোর জন্য রকেটসান থেকে MAM-L স্মার্ট গাইডেড বোম্ব কেনার চুক্তিও হয়েছে গত সপ্তাহে।
