ইনসাফভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে দেশের তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বরেণ্য ইসলামি বক্তারা। তাদের মতে, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষাসহ সমাজের অনিয়ম, অনাচার ও বঞ্চনা দূর করতে তরুণরাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন।
চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও গ্রামে হায়দার আলী হাজী কোরআনিয়া মাদরাসা মসজিদ কমপ্লেক্স আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ইসলামি মহাসম্মেলনে দেশসেরা অনেক আলেম এ আহ্বান জানান। সম্মেলনে হাজারো মানুষের উপস্থিতি ছিল।
প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি জামসেদ ওয়াজেদ পাটওয়ারী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাগাইশ দরবার শরীফের পীর ও বিশিষ্ট তাফসিরকার মাওলানা মোস্তাক ফয়েজী। এছাড়া বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোশারর হোছাইন, মুফতি ইয়াহইয়া ত্বকী, মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা হাছানুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আমার দেশের বিশেষ প্রতিনিধি এম এ নোমান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. মফিজুর রহমান ও মো. আবিদ আজম।
দ্বিতীয় দিনে কোরআন ও হাদিসের আলোকে আলোচনা উপস্থাপন করেন উজানীর পীর আল্লামা ফজলে ইলাহী, মাওলানা নজীর আহমাদ, মাওলানা হারেছুদ্দীন, মাওলানা ফারুফ হোসাইন ও মাওলানা ইমরান হোসাইন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান।
মাওলানা মোস্তাক ফয়েজী বলেন, ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে বিদেশি শাসক ও দেশীয় শক্তি দেশের সম্পদ লুট করেছে। এখনো দেশের সম্পদ পাচার হচ্ছে, যা দেশপ্রেমের অভাবকেই স্পষ্ট করে। তিনি আরও বলেন, জীবনের নানা সংকট অতিক্রম করে প্রশান্তির পথ খুঁজতে হবে আল্লাহর বিধান অনুসরণ করে। প্রতিটি ক্ষেত্রে কোরআন ও হাদিসের শিক্ষা মেনে চলাই মুক্তির পথ।
তিনি তরুণদের উদ্দেশে আরও বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর ত্যাগ ও দেশপ্রেম থেকে শিক্ষা নিয়ে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।
বিশেষ অতিথি এম এ নোমান বলেন, বর্তমান বিশ্ব এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা মূলত সভ্যতার সংকট। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে মুসলমানরা নির্যাতনের শিকার হলেও ঐক্যের ঘাটতির কারণেই তারা দুর্বল হয়ে পড়েছে। আল্লাহ ও রাসূলের বিধান মেনে চলার মধ্য দিয়েই মুসলমানরা অতীতে সম্মানিত জাতি হিসেবে মর্যাদা অর্জন করেছিল।







