তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আসামিরা সর্বোচ্চ শাস্তি পাবেন বলে দুদক আশাবাদী।
এ মামলায় মোট ১৮ জন আসামি রয়েছেন। তারা হলেন—জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, পরিচালক কামরুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরে যুক্ত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব–১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ভাগ্নি আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীর প্লট বরাদ্দসংক্রান্ত দুর্নীতির মামলার রায়ের জন্যও একই আদালত এই দিন নির্ধারণ করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকার সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে প্রত্যেকে ১০ কাঠা করে প্লট বরাদ্দ নেওয়া হয়।







