ঢাকা-৭ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১০ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ হাজী মো. এনায়েত উল্লাহকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
ঘটনাটি ঘটে হাফেজ হাজী মো. এনায়েত উল্লাহর একটি বৈঠক চলাকালে। তিনি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে একটি মিটিংয়ে বসেছিলেন বলে জানান। এ সময় অস্ত্রসহ কয়েকজন ব্যক্তি ওই স্থানে প্রবেশ করলে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা নিজেদের ব্যবসায়ী নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে না পারায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
আটক তিনজনের মধ্যে একজনের গেঞ্জিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের লোগো যুক্ত থাকতে দেখা গেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
হাফেজ হাজী মো. এনায়েত উল্লাহ বলেন, “আমি ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মিটিংয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে এরা অস্ত্রসহ সেখানে উপস্থিত হয়। তারা তো ব্যবসায়ী নেতা নয়, তাহলে তারা সেখানে কেন এসেছে—এ প্রশ্নই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”
থানা সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের বর্তমানে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন থানার ডিউটি অফিসার।
এদিকে, অস্ত্র উদ্ধারের প্রসঙ্গ টেনে গতকাল ২১ জানুয়ারি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, দেশের বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ ইতোমধ্যে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। লুট হওয়া মোট ৩ হাজার ৬১টি অস্ত্রের মধ্যে ২ হাজার ২৫৯টি উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো ১ হাজার ৩৬০টি অস্ত্র উদ্ধার হয়নি বলে তিনি জানান।
এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক প্রার্থীর ওপর হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এবং অস্ত্রসহ আটক হওয়ার ঘটনা নতুন করে নিরাপত্তা ও অবৈধ অস্ত্রের ঝুঁকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
