ময়মনসিংহ বিভাগের নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুরসহ বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে তারেক রহমান ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, “নামাজ শেষে এলাকার মানুষদের নিয়ে ভোটকেন্দ্রের পাশের মসজিদে ফজরের নামাজ পড়বেন। অন্য ধর্মের মানুষরা তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় আচার পালন করে ভোটকেন্দ্রের লাইনে দাঁড়াবেন এবং ভোট দেওয়া শুরু হলে সাথে সাথেই ভোট দেবেন।” তিনি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, শুধু ভোট দিলেই হবে না, ভোট দিয়ে কেন্দ্রেই থাকতে হবে এবং নির্বাচনের ফল ‘কড়াই-গণ্ডায়’ বুঝে নিয়ে তবেই বাড়ি ফিরতে হবে।
দীর্ঘ ২২ বছর পর ময়মনসিংহে জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তারেক রহমান অভিযোগ করেন, অতীতে মানুষের ভোট লুটপাট করা হয়েছে বলেই এবার সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নাম উল্লেখ না করে তাদের সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। বিএনপিকে ‘দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন’ বলার জবাবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির সরকারে ওই দলেরও দুইজন সদস্য মন্ত্রিসভায় ছিলেন। বিএনপি যদি এতই খারাপ হতো, তবে তারা কেন তখন পদত্যাগ করে চলে আসেননি? তারা জানতেন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ছিলেন এবং তার সময়েই দেশ দুর্নীতিমুক্ত হতে শুরু করেছিল।” তিনি আরও বলেন, যারা বিএনপিকে এভাবে দোষারোপ করছে, তাদের দুই সদস্যের শেষদিন পর্যন্ত সরকারে থাকা প্রমাণ করে তারা জনগণের সামনে কত বড় মিথ্যাচার করছে।
সমাবেশে তারেক রহমান ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের বিজয়ী করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
