জামায়াত আমিরের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ‘হ্যাক’ করার ঘটনা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পূর্বপরিকল্পিত কৌশলের অংশ বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-৮ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
বুধবার নিজ নির্বাচনি এলাকায় প্রচার চালানোর সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ দাবি করেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “তারেক রহমান যে পরিকল্পনার কথা আগেই বলেছিলেন, জামায়াত আমিরের আইডি হ্যাক হওয়ার ঘটনাটি সেই পরিকল্পনারই ধারাবাহিকতা।”
নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, তার প্রচারণায় নানাভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের জোরপূর্বক সভা-সমাবেশে নেওয়া হচ্ছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে এবং রাতের আঁধারে তার পোস্টার ও বিলবোর্ড অপসারণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নারী কর্মীদের হেনস্তা ও হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, বঙ্গভবন স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় প্রচারণা চালাতে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে এবং ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে যাতে সত্য ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশ না হয়। “মিডিয়া ও প্রশাসন পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা নিচ্ছে,”—বলেন তিনি।
নির্বাচনে সমান সুযোগের অভাব রয়েছে উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকায় নির্বাচন কতটা নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়ে জনমনে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ সময় তিনি মাল্টি লেভেল মার্কেটিং ব্যবস্থার আড়ালে চাঁদাবাজির অভিযোগও তোলেন। তার দাবি, ওয়ার্ড পর্যায় থেকে শুরু করে শীর্ষ নেতৃত্ব পর্যন্ত চাঁদার ভাগ পৌঁছে যায়। তিনি বলেন, “সন্ত্রাসী ও গ্যাংস্টারনির্ভর যে অর্থনীতি তৈরি হয়েছে, গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা তা আর বাংলাদেশে দেখতে চাই না। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।”







