জুলাই যোদ্ধা শহীদ ওসমান বিন হাদী হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাকার যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চে পুলিশের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-এর সহসভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান। তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরেই ভারতীয় এজেন্ট ও ফ্যাসিবাদী শক্তি লুকিয়ে আছে—তাদের খুঁজে বের করা জরুরি।
শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
রাশেদ প্রধান বলেন, ইনকিলাব মঞ্চে হামলার পরপরই ছাত্রদলের কিছু নেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ফোনালাপে উল্লাসে মেতে ওঠেন। যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিরোধিতা করছে, তারাই হামলা ও গুলির মদদ দিচ্ছে। এতে প্রমাণ হয়, হামলার নির্দেশ দিল্লি থেকে গুলশান হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পৌঁছেছে। তিনি আরও দাবি করেন, যমুনার সামনে কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে সন্ধ্যায় শাহবাগের হাদী চত্বরে আয়োজিত সমাবেশেও ছদ্মবেশে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পুনরায় হামলার প্রস্তুতি নেয়।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদীর মা সন্তানের হত্যার বিচার চাইতে এসে পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। অভিযোগ করে তিনি বলেন, তার পেটে লাথি মারা হয়েছে। এ ছাড়া আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর সাবেক এজিএস আম্বার, জুলাই যোদ্ধা মোশাররফ হোসেনসহ ইনকিলাব মঞ্চের ঝুমা ও শান্তা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সব মিলিয়ে শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। দেশবাসীর প্রশ্ন—কার নির্দেশে মা-বোনদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছে? কারা নারী হত্যা, হামলা ও ধর্ষণের মাধ্যমে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে?
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, বিভিন্ন সূত্রে তারা জানতে পেরেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন প্রতিহত করতে ১১ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির যৌথ নাশকতার পরিকল্পনায় দিল্লিতে একাধিক বৈঠক হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, জনগণ এসব বিষয় সম্পর্কে অবগত এবং ১১ তারিখ থেকে আগামী পাঁচ বছর দেশ পাহারা দিতে ১১ দলসহ ছাত্র-জনতা প্রস্তুত রয়েছে।







