প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, দেশের নির্বাচনি সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে ভোটগ্রহণকে সম্পূর্ণ নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
শনিবার রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নির্বাচনসংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠক শেষে যমুনার সামনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে বিষয়টি জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা দেশের নির্বাচনি পরিবেশ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে, কেউ কারও বিরুদ্ধে কটু বক্তব্য দিচ্ছে না—যা নির্বাচনি সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তবে ভোটকে শতভাগ নির্ভুল করা এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে উৎসবমুখর। নারীরা আনন্দ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এই নির্বাচন দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
প্রেস সচিব জানান, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাঁচটি স্থানে পরীক্ষামূলকভাবে বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা কথা বলেছেন। কোথাও কোনো সমস্যা দেখা দিলে নির্বাচন সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে বার্তা পৌঁছে যাবে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রায় ৯ লাখ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ আট হাজার সদস্য ইতোমধ্যে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও নির্ধারিত সময়ে মাঠে নামবেন।
এছাড়া নির্বাচনসংক্রান্ত অভিযোগ ও তথ্য জানাতে ৩৩৩ হটলাইন নম্বর চালু করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনে দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই।
এদিকে উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, ‘পাশা’ নামে একটি এনজিওর ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষকের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে।
