নির্বাচনী এলাকায় মবের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে শুধু সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র নয়, পুরো আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম।
আইজিপি স্পষ্ট করে জানান, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ মোতায়েন থাকবে। এবারের নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে দেশজুড়ে তিন স্তরের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য এই নির্বাচনকে একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন আইজিপি। তিনি জানান, নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে গত নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের এবারের নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে। নির্বাচনে কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স—এই তিন স্তরে মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকছেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিজিবি ও আনসার সদস্যরাও মাঠে কাজ করছেন। আইজিপি আরও জানান, এরই মধ্যে ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া দেশের ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ড্রোন ও বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।
আইজিপি বাহারুল আলম দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এবার জাতিকে একটি উৎসবমুখর ও স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দেওয়া হবে।
