নির্বাচনের আগের দিন বুধবার নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৭৪ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন এবং লক্ষ্মীপুরে বিএনপি প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নগদ অর্থ বহনের বৈধ সীমা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
একটি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন—উৎস বৈধ হলে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই। তবে বুধবার সন্ধ্যায় ইসি সচিব এই তথ্য নাকচ করে দিয়ে জানান, তাকে উদ্ধৃত করে যে বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এমন কোনো মন্তব্য করার এখতিয়ার বা ক্ষমতা তার নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
বিষয়টি নিয়ে কৌতুহল নিরসনে মুখ খুলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ে নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা বা বাধা নেই। তবে নির্বাচনকালীন সময়ে যদি নির্বাচন কমিশন কোনো বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করে, তবে সেটিই কার্যকর হবে।
মূলত নির্বাচনের আগে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যবহার হতে পারে—এমন আশঙ্কায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে। আরপিও বা নির্বাচনী নীতিমালা অনুযায়ী, অর্থের উৎস এবং ব্যবহার সন্দেহজনক হলে প্রশাসন তা জব্দ ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।







