গাজা পরিস্থিতি ও যুদ্ধবিরতি বৈঠকে গাজা উপত্যকায় চলমান পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মুহাম্মদ দারবিশ গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা এবং মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তাবলি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
পশ্চিম তীর ও জেরুজালেম প্রসঙ্গ ইসরায়েলি নেসেট (পার্লামেন্ট) কর্তৃক পশ্চিম তীরের জমি দখলের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানানো হয় বৈঠকে। উভয় পক্ষই একমত হয় যে, আল-কুদস (জেরুজালেম) এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের এই উসকানিমূলক পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য চরম হুমকি।

ইরানের প্রতি সংহতি হামাস প্রতিনিধিদল ইরানের প্রতি তাদের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। তারা ইরানের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের বিদেশি আক্রমণের কঠোর বিরোধিতা করে জানায় যে, ইরানের ওপর হামলা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তিকে বিঘ্নিত করবে।
আঞ্চলিক কূটনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা আলি লারিজানি হামাস নেতাদের ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান পরোক্ষ আলোচনা (পারমাণবিক চুক্তি সংক্রান্ত) সম্পর্কে অবহিত করেন। লারিজানি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বৈশ্বিক যেকোনো পরিস্থিতির মধ্যেও ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় ইরানের সমর্থন অপরিবর্তিত থাকবে।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মুহাম্মদ দারবিশের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদলে হামাসের প্রভাবশালী নেতা খালেদ মিশাল, নিজার আওয়াদুল্লাহ, হুসাম বদরান, সামি খাতিরের মতো শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দোহা ও মাসকাট সফরের অংশ হিসেবে লারিজানি বর্তমানে কাতার অবস্থান করছেন, যেখানে তিনি দেশটির আমির ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেছেন।







