ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটারদের সমর্থন নিয়ে বড় আশার কথা জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মন্তব্য করেন যে, এবারের নির্বাচনে নারী ভোটেই বাজিমাত করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সাদিক কায়েমের ফেসবুক পোস্ট ফেসবুক পোস্টে সাদিক কায়েম লেখেন, “নারী ভোটে বাজিমাত করবে জামায়াত। দাঁড়িপাল্লার পক্ষে গ্রামে-গঞ্জে নারীদের গণজোয়ার।” তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতের সুশৃঙ্খল প্রচারণা এবং তৃণমূল পর্যায়ে নারী কর্মীদের তৎপরতা ভোটব্যাঙ্কে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

ভোটের ময়দানে নারী শক্তি নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের মোট ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটারের মধ্যে নারী ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন। এই বিশাল সংখ্যক নারী ভোটারের রায়ই নির্ধারণ করতে পারে আগামীর সরকার। ফজরের নামাজের পর থেকেই দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় ও উৎসবমুখর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
নির্বাচনী সমীকরণ ও জামায়াত এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ২২৯টি আসনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। গত ১৫ বছরের রাজনৈতিক অস্থিরতা কাটিয়ে দলটির এই শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন এবং তৃণমূলের নারীদের মধ্যে তাদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা কৌতূহলী। সাদিক কায়েমের দাবি অনুযায়ী যদি নারী ভোটারদের একটি বড় অংশ জামায়াতমুখী হয়, তবে তা নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
নির্বাচন ও প্রার্থীর পরিসংখ্যান ২৯৯টি আসনে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ৫১টি রাজনৈতিক দলের প্রায় ২ হাজার প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে বিএনপির ২৯১ জন এবং ইসলামী আন্দোলনের ২৫৮ জন প্রার্থী রয়েছেন। ১১৯টি ভিন্ন ভিন্ন প্রতীকের এই লড়াইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ কতটা শক্ত অবস্থান নিতে পারে, তা জানতে এখন কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা মাত্র।







