ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্ধারিত সময় অর্থাৎ বিকেল সাড়ে ৪টা পেরিয়ে গেছে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ২টা পর্যন্ত সারাদেশে ভোট পড়ার হার প্রায় ৪৭.৯১ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানান।
ভোটের হার ও পরিসংখ্যান সচিব জানান, দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই ৪৭.৯১ শতাংশের হিসাব পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট প্রায় ৬ হাজার কেন্দ্রের তথ্য তখন পর্যন্ত কমিশনের কেন্দ্রীয় সিস্টেমে এসে পৌঁছায়নি। ফলে চূড়ান্ত ভোট পড়ার হার আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অংশগ্রহণকারী দল ও প্রার্থী এবারের নির্বাচনে ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিবন্ধিত ৫০টি রাজনৈতিক দল এই মহাযজ্ঞে অংশ নিয়েছে। মোট ২ হাজার ২৮ জন প্রার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭৫৫ জন দলীয় এবং ২৭৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। উল্লেখ্য, প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে।
নারী প্রার্থীর সংখ্যা নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের লড়াইয়ে নারী প্রার্থীদের সংখ্যা ছিল বেশ কম। মোট প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র ৮৩ জন ছিলেন নারী, যাদের মধ্যে ৬৩ জন রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে এবং ২০ জন স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৯৪৫ জন।
ভোটগ্রহণ ও পরবর্তী ধাপ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও অনেক কেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতি থাকায় লাইনে দাঁড়ানো ব্যক্তিদের ভোট নেওয়া হয়েছে। এখন সব কেন্দ্রেই ভোট গণনার কাজ শুরু হয়েছে।
আশা করা হচ্ছে, মধ্যরাত থেকেই ৩০০ আসনের প্রাথমিক ফলাফল এবং রাষ্ট্র সংস্কার সংক্রান্ত গণভোটের রায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয় থেকে ঘোষণা করা শুরু হবে।







