ঐতিহাসিক বিজয় ও দলীয় অর্জন তেজগাঁও, হাতিরঝিল ও শেরে বাংলা নগরের একাংশ নিয়ে গঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আসনে সাইফুল আলম খান মিলনের জয়কে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির জন্য একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠার পর গত ৮৪ বছরে ঢাকা শহরের কোনো আসনে জামায়াতের প্রার্থী সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেননি। সাইফুল আলম মিলনের এই বিজয় সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটালো।
এলাকায় উৎসবের আমেজ বিকেলের পর থেকেই তেজগাঁও ও হাতিরঝিল এলাকায় সাইফুল আলম মিলনের সমর্থকরা আনন্দ প্রকাশ করতে শুরু করেন। জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমানের ‘বিজয় মিছিল না করার’ নির্দেশনা মেনে নেতাকর্মীরা বড় কোনো শোডাউন না করলেও পাড়া-মহল্লায় মিষ্টি বিতরণ ও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে দেখা গেছে। সমর্থকরা এই বিজয়কে ‘জুলাই বিপ্লব’ পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অবস্থান ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল আলম খানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির সাইফুল আলম নিরব। দিনভর ভোটগ্রহণ শেষে রাত ৮টার পর থেকে কেন্দ্রভিত্তিক ফলাফল আসতে শুরু করলে মিলনের এগিয়ে থাকার খবর নিশ্চিত হয়। শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে তিনি জয় ছিনিয়ে নেন। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল ও শেরে বাংলা নগর এলাকার ভোটাররা এই আসনে এবার ব্যাপক পরিবর্তন চেয়েছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ভবিষ্যৎ অঙ্গীকার বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পর সাইফুল আলম খান মিলন তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় এলাকার সাধারণ মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “হাতিঝিল ও তেজগাঁওবাসীকে একটি আধুনিক, সবুজ ও উন্নত ঢাকা উপহার দেওয়াই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। দীর্ঘকাল পর ঢাকা থেকে জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব করার এই সুযোগ আমি এলাকার মানুষের সেবায় উৎসর্গ করলাম।”







