ইরানে বিদ্যমান শাসনব্যবস্থার পরিবর্তনই ‘সবচেয়ে ভালো সমাধান’ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউস-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, “৪৭ বছর ধরে তারা শুধু কথা বলে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমরা অনেক প্রাণ হারিয়েছি।” তবে ইরানে শাসন পরিবর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্র কাকে ক্ষমতায় দেখতে চায়—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি। তার ভাষ্য, “সেখানে এমন মানুষ আছেন, যারা নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা রাখেন।”
এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার পরিকল্পনার কথাও ইঙ্গিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও, একই সঙ্গে সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার রাখা হবে বলে জানান তিনি।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করার পরিকল্পনার কথাও ইঙ্গিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও, একই সঙ্গে সামরিক প্রস্তুতিও জোরদার রাখা হবে বলে জানান তিনি।
ট্রাম্প জানান, বিশ্বের বৃহত্তম ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড শিগগিরই ক্যারিবিয়ান অঞ্চল থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা দেবে।
এদিকে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ ট্রাম্প দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেছেন। ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল—‘মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের জন্য দ্বিতীয় বিমানবাহী রণতরি প্রস্তুত করছে পেন্টাগন।’ যদিও এ বিষয়ে আলাদা কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।







