অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, দেশের মানুষ আর পুরোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ফিরে যেতে চায় না, তারা টেকসই সংস্কার চায়। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের ব্যাপক বিজয় জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলী রীয়াজ বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণ যে রায় দিয়েছে, তা বাস্তবায়নের প্রাথমিক দায়িত্ব এখন দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর বর্তায়। তিনি দলগুলোকে পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে এই জনরায় দ্রুত কার্যকর করার আহ্বান জানান। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও ঐকমত্যই পারে একটি বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে।
দেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আলী রীয়াজ বলেন, ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসেবে তরুণদেরই অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তাদের উদ্ভাবনী শক্তি ও দেশপ্রেমই সংস্কারের এই যাত্রাকে সফল করবে।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘জুলাই সনদ’ ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের পক্ষে দেশের ভোটাররা তাঁদের মতামত প্রদান করেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজ এই ফলাফলকে দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন এবং একটি জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
