নোয়াখালীর হাতিয়ায় নির্বাচনে এনসিপি প্রার্থীকে ভোট দেওয়ায় তিন সন্তানের এক জননীকে ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও স্তম্ভিত হওয়ার কথা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পৈশাচিক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং ভুক্তভোগী পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।
ডা. শফিকুর রহমান জানান, তিনি নিজে ভুক্তভোগী নারী এবং তাঁর পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। তাঁদের ওপর ঘটে যাওয়া এই অমানবিক নির্যাতনের বর্ণনা শুনে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, তাঁদের যে অবর্ণনীয় যন্ত্রণা, তা কোনো ভাষা দিয়ে সান্ত্বনা দেওয়ার মতো নয়।
জামায়াত আমির তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, নির্বাচনী প্রচারণাজুড়ে তিনি সবসময় প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “যা ঘটেছে তা রাজনীতি নয়, এটি চরম ঔদ্ধত্য এবং এখনই এর অবসান হতে হবে।” বিশেষ করে নারীদের নিরাপত্তাকে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, এদেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার এবং ভয়ভীতিহীনভাবে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে সমর্থন করার অধিকার রয়েছে। এই অধিকার ক্ষুণ্ন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সহিংসতা রোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীকাল তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং অত্যন্ত কঠোর ভাষায় জানাবেন যে—দলের ভেতর থেকে এই ধরনের বিশৃঙ্খলা ও অপরাধ দমনে আরও কঠোর হতে হবে। তাঁর মতে, নেতৃত্ব মানেই হলো শৃঙ্খলা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।
সবশেষে তিনি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে দ্রুত এবং কোনো প্রকার পক্ষপাত ছাড়াই এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।







