ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হওয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হতে যাচ্ছেন পরবর্তী বিরোধীদলীয় নেতা। দলীয় ও সংসদীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, এ বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতা হয়েছে। তবে জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের মধ্যকার আসন্ন বৈঠকের পরেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে।
বিরোধীদলীয় উপনেতা পদের জন্য জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নাম জোরালোভাবে বিবেচনায় রয়েছে। এ ছাড়া বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও হুইপ পদ নিয়ে জামায়াতের ভেতরে বেশ কয়েকজন নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বিরোধীদলের হুইপ হতে পারেন বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে কানাঘুষা চলছে।
সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ চিফ হুইপ পদের তালিকায় জামায়াতের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি ১১ দলীয় জোটের ঐক্য সুসংহত রাখতে শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিদেরও গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সূত্রমতে, বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার মনোনীত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে জামায়াতের আইন বিশেষজ্ঞ কোনো নেতার নাম আসতে পারে।
সার্বিক বিষয়ে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি মাওলানা এটিএম মাসুম জানিয়েছেন, সংসদের এসব গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, ১১ দলীয় জোটের সংহতি বজায় রাখার স্বার্থে শরিকদের জন্য ছাড় দেওয়ার মানসিকতা তাঁদের রয়েছে এবং সবার সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
