বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর সাহেব চরমোনাইয়ের মধ্যকার পূর্বনির্ধারিত এক সাক্ষাতের আগে সৃষ্টি হয়েছে এক আবেগঘন পরিবেশ। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমান পীর সাহেবের বাসায় আসার আগেই তাঁর অপেক্ষায় বাসার নিচে বাবা ও ছোট ভাইকে নিয়ে উপস্থিত হয় ভিকারুননিসা নূন স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী উজাইমা কায়সার তাহানি।
ছোট্ট তাহানির হাতে ছিল একটি কাগজের টুকরো, যেখানে বড় করে লেখা— “হাদি হত্যার বিচারটা কইরেন”। জুলাই বিপ্লবের অন্যতম ফ্রন্টলাইন যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যার বিচার চেয়ে সে এই মৌন আকুতি জানায়। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর মারা যান ওসমান হাদি।
তাহানির এই ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ ও দাবি উপস্থিত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তাহানি জানায়, সে চায় নতুন বাংলাদেশে কোনো বিচারহীনতার সংস্কৃতি থাকবে না। দেশের অন্যতম শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তারেক রহমানের কাছে সে এই বার্তাটি পৌঁছে দিতেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল।
রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও ঐক্য অটুট রাখার লক্ষ্যে তারেক রহমান ও পীর সাহেব চরমোনাইয়ের এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে মূল বৈঠকের আগেই ছোট্ট এক শিশুর এই বিচার চাওয়ার দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হাদি হত্যা মামলার তদন্ত বর্তমানে সিআইডির হাতে রয়েছে এবং এর বিচার দাবিতে দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।







