২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং মোহাম্মদপুরের বিতর্কিত সাবেক কাউন্সিলর রাজিবের সঙ্গে সখ্যতার অভিযোগে অভিযুক্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন বলে খবর ছড়িয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ফাহিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি আন্দোলন চলাকালীন মোহাম্মদপুর এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর ও আওয়ামী লীগ নেতা রাজিবের বাহিনীর সাথে সক্রিয় ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তাঁর সম্পৃক্ততার দাবি তুলেছেন স্থানীয়রা। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর তিনি আইনি জটিলতা এড়াতে দেশ ত্যাগ করেছিলেন বলে জানা যায়।
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফাহিম গত বছরের এপ্রিলের দিকে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি তাঁর দেশে ফেরার বিষয়টি ছাত্র-জনতার মাঝে নতুন করে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে মোহাম্মদপুরের কাউন্সিলর রাজিবের মতো ব্যক্তিদের ‘ক্যাডার’ হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তির অবাধ চলাচল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।
অভিযোগ উঠেছে যে, হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও তিনি কীভাবে বিমানবন্দরে কোনো বাধা ছাড়াই প্রবেশ করলেন। সাধারণ জনগণের মধ্যে এই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, যথাযথ আইনি ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসনের পথ সুগম হতে পারে।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় ছাত্র-জনতা দাবি তুলেছেন, বিপ্লবের রক্তাত স্মৃতি মুছে ফেলার আগেই যেন এসব অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
