পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে আওয়ামী লীগ নেতাদের অতর্কিত হামলায় বিএনপির অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের পত্তাশী বাজার সংলগ্ন পঞ্চায়েত বাড়ির ব্রিজ এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—পত্তাশী ইউনিয়ন মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম ফকির, স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি জাহিদ হোসেন, স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ নাহিদ হোসেন, নাছির উদ্দীন ফকির ও নাইম হোসেন। হামলার পর স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে ইন্দুরকানী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পত্তাশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দীন টুকু এবং তাঁর ছেলে ছাত্রলীগ নেতা রায়হান ও ভাই যুবলীগ নেতা আলাউদ্দিনের নেতৃত্বে ৮-১০ জন এই হামলা চালায়। আহত জাহিদ হোসেন ও নাসির ফকির জানান, গত ৫ আগস্টের ঘটনার প্রতিশোধ নিতেই কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাঁদের ওপর লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়েছে।
তবে অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন টুকু এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি মারামারি থামাতে গিয়ে নিজেই আহত হয়েছেন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানো হচ্ছে।
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আহতরা বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভুক্তভোগী পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
