মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের অত্যন্ত শক্তিশালী হাইপারসনিক মিসাইল সিস্টেম ‘ডার্ক ঈগল’-এর নতুন কিছু ছবি প্রকাশ করার পরপরই কোনো কারণ ছাড়াই তা সরিয়ে নিয়েছে। এই রহস্যজনক পদক্ষেপটি সামরিক বিশ্লেষকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে, কারণ সাধারণত এমন উন্নত প্রযুক্তির ছবি প্রকাশের পর তা ডিলিট করার ঘটনা বিরল।
‘ডার্ক ঈগল’ মূলত ট্রাকের ওপর বসানো একটি বিশেষ হাইপারসনিক বুস্ট-গ্লাইড মিসাইল সিস্টেম। এটি শব্দের চেয়ে অন্তত ৫ গুণ বেশি গতিতে (ম্যাক ৫+) ছুটতে সক্ষম। এর বিশেষত্ব হলো এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বায়ুমণ্ডলের ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, যা বর্তমানের আধুনিক রাডার বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে শনাক্ত করা প্রায় অসম্ভব।
পেন্টাগন এই অস্ত্রটি মূলত অনেক দূরপাল্লার এবং অত্যন্ত সুরক্ষিত লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার জন্য তৈরি করেছে। বিশেষ করে শত্রুদেশের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড সেন্টারগুলো ধ্বংস করতে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তুরুপের তাস হয়ে উঠতে পারে।
এই প্রজেক্টের পেছনে ব্যয়ের অঙ্কটিও বিশাল। ধারণা করা হচ্ছে, ডার্ক ঈগলের প্রথম অপারেশনাল ব্যাটারিটি তৈরি করতেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২৭০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। অত্যাধুনিক এই সমরাস্ত্রটি মার্কিন সেনাবাহিনীর দীর্ঘপাল্লার ফায়ার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এক নতুন বিপ্লব আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।







