পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার ও তদন্ত প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, এই ঘটনার জন্য নতুন করে আর কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে না। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘শহিদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পিলখানা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে যথোপযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে একটি জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। সেই কমিশনের রিপোর্ট ইতোমধ্যে বর্তমান সরকারের হাতে এসেছে। এখন সরকারের লক্ষ্য হলো কমিশনের সেই সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা।
সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, বিগত সরকারগুলোর সময়ে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল উদ্দেশ্য উদঘাটনে সদিচ্ছার অভাব ছিল। তবে বর্তমান সরকার পিলখানা ট্র্যাজেডির জুডিশিয়াল প্রসেস বা বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুত সমাপ্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, শহিদ পরিবারগুলো যেন যথাযথ বিচার পায়, তা নিশ্চিত করা হবে।
হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি ছিল পৃথিবীর অন্যতম নৃশংস ঘটনা। এর মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে যারা বিশ্বাস করে না, তারাই এমন ন্যক্কারজনক কাজ করতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বনানীতে শহিদ সেনা দিবস পালনকালে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও শহিদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন, তারা জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ভবিষ্যতে যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।







