আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনেই সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। মন্ত্রিপরিষদ সূত্র জানিয়েছে, এবারের ভাষণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা–এর দীর্ঘ শাসনামলের দুর্নীতি, অনিয়ম, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রাজনৈতিক দমন-পীড়নের অভিযোগ গুরুত্ব পাবে।
ভাষণের প্রস্তুতি
সংবিধান অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন ও প্রতি বছরের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বাধ্যতামূলক। তবে ভাষণ রাষ্ট্রপতি নিজে প্রস্তুত করেন না; বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ খসড়া তৈরি করে এবং পরে মন্ত্রিসভায় তা অনুমোদন করা হয়।
জানা গেছে, এবারের ভাষণ প্রায় ১৫০ পৃষ্ঠার হতে পারে। তবে রাষ্ট্রপতি পুরো ভাষণ পাঠ করবেন না; সংক্ষিপ্ত অংশ পড়ে শোনাবেন, বাকিটা স্পিকারের অনুমতিক্রমে পঠিত বলে গণ্য হবে।
যেসব বিষয় প্রাধান্য পেতে পারে
দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক ও অভিযোগ
বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন, গুম ও হত্যার অভিযোগ
জুলাই গণআন্দোলন ও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন
বর্তমান ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকারসমূহ
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
বিএনপির মহাসচিব ও মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানও ভাষণের বিষয়বস্তু নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
প্রেক্ষাপট
দ্বাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণে তৎকালীন সরকারের উন্নয়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রশংসা ছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় এবারের ভাষণে ভিন্ন সুর ও ভিন্ন রাজনৈতিক বয়ান প্রতিফলিত হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।







