জেরুজালেম থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত ইসরায়েলের বেইত শেমেশ শহরে ইরানের একটি শক্তিশালী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ব্যাপক প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েলি অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা ‘মাগেন ডেভিড অ্যাডম’-এর তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত নয়জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (IDF) জানিয়েছে, হামলার পর ঘটনাস্থলে ব্যাপক আকারে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে লোকজনকে উদ্ধারে কাজ করছে বিশেষায়িত টিম। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য হেলিকপ্টারসহ চিকিৎসাদল মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিভিন্ন সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ইরানের ছোড়া এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছিল অত্যাধুনিক হাইপারসনিক প্রযুক্তির। ফলে বাসিন্দারা মাটির নিচের বাংকারে আশ্রয় নিলেও শেষরক্ষা হয়নি। ক্ষেপণাস্ত্রের প্রচণ্ড আঘাতে মাটির নিচের সুরক্ষিত আশ্রয়স্থলগুলোও ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ফলে সেখানেই অনেকের মৃত্যু ঘটে।
নিহতদের মধ্যে অন্তত ৮ জন ইসরায়েলি নাগরিক বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেক মানুষ চাপা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বেইত শেমেশ শহরের একটি বড় অংশ বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং উদ্ধারকারীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন জীবিতদের খুঁজে বের করতে।
ইরানের পক্ষ থেকে এই হামলাকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং তাদের সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, ইসরায়েল এই ভয়াবহ হামলার পর কঠোর পাল্টা জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে সামরিক সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে।







