ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে বেশ কিছু দেশ মধ্যস্থতার উদ্যোগ শুরু করেছে। তবে তিনি কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ না করে একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পেজেশকিয়ান তার পোস্টে লিখেছেন, ইরান অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে জাতীয় মর্যাদা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান কোনো প্রকার আপস করবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমাদের জাতির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো দ্বিধা নেই।”
মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, আলোচনা বা মধ্যস্থতা মূলত তাদের উদ্দেশেই হওয়া উচিত যারা ইরানি জনগণকে অবমূল্যায়ন করেছে এবং এই সংঘাতের উসকানিদাতা হিসেবে কাজ করেছে। তার এই বক্তব্য মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি এক ধরনের হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পেজেশকিয়ানের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন ইরান প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে উপর্যুপরি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের এই আগ্রাসী অবস্থানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিবিসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সংঘাত আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে এমন আশঙ্কায় বেশ কয়েকটি আরব ও ইউরোপীয় দেশ দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছে। তবে ইরান তাদের সার্বভৌমত্ব এবং অধিকার রক্ষার প্রশ্নে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে।
