সাভারের আশুলিয়ায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইয়ারপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আবু বক্কর ভূঁইয়া ওরফে বাবু ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাতে তাকে গ্রেফতারের পর আজ শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী ওই তরুণীর অভিযোগ, বাবু ভূঁইয়ার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রভাবশালী ছাত্রদল নেতা পরিচয় দিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলেন এবং বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। বর্তমানে ওই তরুণী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার পর বাবু ভূঁইয়া তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং কৌশলে সম্পর্ক অস্বীকার করেন। এমনকি বিষয়টি ধামাচাপা দিতে ভুক্তভোগীকে ভয়ভীতি দেখানো এবং টাকার বিনিময়ে মীমাংসার প্রস্তাব দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়া ওই তরুণীর পরিবার এখন এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও কঠোর শাস্তি দাবি করছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুবেল হাওলাদার জানান, গত ৪ মার্চ অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা মেলায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীরা এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে দলীয় নেতার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগে আশুলিয়া থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত অপরাধের দায় সংগঠন নেবে না। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বাবু ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
