নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী আজ মঙ্গলবার ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। উপকারভোগী নির্ধারণের জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পাইলট পর্যায়ে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সফটওয়্যার ব্যবহার করে প্রতিটি পরিবারের দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত—এই পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্যের মধ্যে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক বলে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে একাধিক ভাতা গ্রহণ, সরকারি চাকরি বা পেনশনের মতো বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
এছাড়া ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা সরেজমিনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত গৃহস্থালি সামগ্রী (যেমন টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল) এবং রেমিট্যান্সের তথ্য সংগ্রহ করেছেন। এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই করে চূড়ান্ত উপকারভোগীর তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।







