গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর নানা আলোচনা ও সমালোচনার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী নতুন সংসদ গঠিত হয় এবং আজ সেই সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হলো। তবে প্রথম অধিবেশনেই রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে স্বৈরাচার আমলের রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর ভাষণ।
সংসদের বর্তমান বিরোধীদল জানায়, তারা দীর্ঘ ১৭ বছর চলা ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ স্মরণ করাতে চাইছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর ভাষণ ও অতীতের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরায় বিরোধী দলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
বিরোধী দলের মতে, রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর ভাষণ দেয়া মানে বিএনপির সভাপতিসহ জুলাইকে অবজ্ঞা করা, হাজার ছাত্রজনতার শহীদের সঙ্গে গাদ্দারি করা এবং ইতিহাসের সাথে ব্যর্থতার পুনরাবৃত্তি করা। তারা স্পষ্টভাবে জানায়, “গত চব্বিসের আন্দোলনের সময় রাষ্টপতি চুপ্পুর নির্দেশে ছাত্রজনতার উপর গুলি চালানো হয়েছিল।”
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিরোধী দল সংসদে দাঁড়িয়ে ভাষণের প্রতি প্রতিবাদ জানিয়ে ফ্লে কার্ডে লিখে: “স্বৈরাচার আমলের রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর ভাষণ মানা হবে না।” এরপর তারা সংসদ থেকে বের হয়ে যায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই এই ধরনের উত্তেজনা ভবিষ্যতে সংসদীয় কার্যক্রমে বিতর্ক এবং বিরোধী–সরকার সংঘর্ষের সম্ভাবনা তৈরি করছে। তাদের বক্তব্য, সংসদীয় গণতন্ত্র ও সংলাপ বজায় রাখার জন্য উভয়পক্ষের মধ্যে সতর্কতা এবং সমঝোতার প্রয়োজন।







