বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদের সভাপতিত্বে এবং মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মোহাম্মদ সজল, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত এবং কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজ।
অনুষ্ঠানে ফরহাদ মজহার বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের তরুণদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৫ আগস্ট তারা যে সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছে তা প্রশংসার দাবিদার। তবে তরুণদের আরও বেশি পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চায় মনোযোগী হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে রিফাত রশিদ জানান, আন্দোলনের সময় সারা দেশের দেয়ালে আঁকা ও লেখা বিভিন্ন গ্রাফিতি সংগ্রহের কাজ চলছে। এসব গ্রাফিতি নিয়ে শিগগিরই একটি বিশেষ সংস্করণ প্রকাশ করা হবে।
লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মোহাম্মদ সজল বলেন, উপমহাদেশে রাষ্ট্রকে কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করার যে প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, জুলাইয়ের অভ্যুত্থান সেই প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রথম বড় ধাক্কা।
এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন দেয়ালে লেখা স্লোগানগুলো এখন অনেক সময় টেলিভিশনের টকশোতে সমালোচিত হয়। তবে ‘গণগ্রাফিতি’ নামটির মধ্যেই জনগণের কণ্ঠস্বর লিপিবদ্ধ করার একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে।
ম্যাগাজিনটির প্রথম সংখ্যায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ তিনটি প্রধান রাজনৈতিক দল—বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও এনসিপির ভাবনা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি এতে বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের মতামত স্থান পেয়েছে। এছাড়া রয়েছে বিশেষ সাক্ষাৎকার, প্রবন্ধ এবং অভ্যুত্থানভিত্তিক গল্প।







